দায়িত্বগ্রহণের পর প্রথম দিনের অফিসেই দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে ৯টি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তরে বন্টনও করা হয়েছে।
কর্মসূচিগুলোর মধ্যে রয়েছে- খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠাকরণ, শিক্ষাক্রমে খেলাধুলাবে বাধ্যতামূলক করা, নতুন কুড়ি স্পোর্টস চালু ইত্যাদি।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর আজই প্রথমবারের মতো সচিবালয়ে নিজ কার্যলয়ে অফিস করেছেন আমিনুল হক।
নতুন কর্মস্থলে প্রথম দিনের নানা ব্যস্ততার মাঝেও দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিগুলো গ্রহণ এবং বাস্তবায়নে দপ্তর বন্টন করতে কালক্ষেপন করেনি বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক।
ক্রীড়া উন্নয়নে আমিনুল হকের নেওয়া ৯টি কর্মসূচি হলো-
১. খেলাধুলাকে পেশা হিসাবে প্রতিষ্ঠাকরণ: সকল খেলার জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের একটি স্থায়ী বেতন কাঠামোর আওতায় আনয়নের ব্যবস্থা গ্রহণ।
কর্মসূচিটি ক্রীড়া-১ এবং ক্রীড়া-২ অনুবিভাগ এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বাস্তবায়নের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
২. জাতীয় শিক্ষাক্রমে ৪র্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার ব্যবস্থা গ্রহণ।
কর্মসূচিটি ক্রীড়া-১ ও ক্রীড়া-২ অনুবিভাগ এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
৩. ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির মাধ্যমে ১২-২৪ বছরের প্রতিভাবান ক্রীড়া শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান।
কর্মসূচিটি ক্রীড়া-১ ও ক্রীড়া-২ অনুবিভাগ এবং জাতীয় ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
৪. উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অফিস স্থাপন এবং ক্রীড়া অফিসার নিয়োগ। এটি বাস্তবায়নে ক্রীড়া পরিদপ্তরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
৫. ৬৪ জেলায় ইনডোর স্টেডিয়াম সুবিধা সম্পন্ন ‘স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণ। এটি বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
৬. সকল মহানগরসহ দেশের গ্রামীণ জনপদে খেলার মাঠ স্থাপন/উন্নয়নে ব্যবস্থা গ্রহণ। এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
৭. দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ও সুবিধা বঞ্চিতদের খেলায় সুযোগ নিশ্চিতকরণ। বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ক্রীড়া পরিদপ্তরকে এটি বাস্তবায়নে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
৮. দেশে ক্রীড়া সরঞ্জাম ইন্ডাস্ট্রি স্থাপন। এটি বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয় এবং ক্রীড়া পরিদপ্তরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
৯. বিভিন্ন ব্যাংক ও কর্পোরেট সংস্থাকে খেলাধুলায় স্পন্সরশীপের জন্য সম্পৃক্তকরণ। এটিও মন্ত্রণালয় এবং ক্রীড়া পরিদপ্তর বাস্তবায়ন করবে।
