ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা ঘোষণা দিয়েছিল বিএনপি। দলটি সরকারে আসার পর সেই পথেই হাঁটছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। প্রাথমিকভাবে দেশের ৫০০ জন জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড়কে সরকারি বেতন কাঠামোর আওতায় আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে দ্য ডেইলি সান আয়োজিত ‘ক্রীড়াঙ্গনে নারীদের গৌরব যাত্রা’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক নিজেই এ তথ্য জানিয়েছেন।
আমিনুল হক জানান, দেশের ৫০০ জন জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড়কে প্রাথমিক পর্যায়ে সরকারি বেতন কাঠামোর আওতায় আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ফুটবল, ক্রিকেট ছাড়াও আর্চারি, শুটিং, ভলিবল, বক্সিং, ভারোত্তোলন ও টেবিল টেনিসের মতো সব ধরনের খেলার অ্যাথলেটরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
ক্রীড়াঙ্গনে সুশাসন ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে ‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ -এই স্লোগানকে বাস্তবে রূপ দেওয়া।
অনুষ্ঠানে বিশেষ করে নারী অ্যাথলেটদের নিরাপত্তা এবং জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড়দের আর্থিক স্বচ্ছলতা নিশ্চিত করতে সরকারের নেওয়া নানামুখী পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি জানান, নারী খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। এই লক্ষ্যে ইতিমধ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় আলোচনা হয়েছে এবং খুব শীঘ্রই ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে একটি বিশেষ সেল গঠন করা হবে।
দেশের তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলাকে ছড়িয়ে দিতে জাতীয় শিক্ষাক্রমের চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনার কথাও জানান আমিনুল হক।
