টাইগার পেসার নাহিদ রানার বোলিং তোপে বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বনিম্ন সংগ্রহের লজ্জার রেকর্ড গড়লো পাকিস্তান। নাহিদের ফাইফার ৩০.৪ ওভারে ১১৪ রানে গুটিয়ে গেছে পাকিস্তানের ইনিংস। নাহিদ রানা ছাড়া বল হাতে ৩ উইকেট নিয়েছেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ।
ইংল্যান্ডের নর্থাম্পটনে ১৯৯৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশর বিপক্ষে ১৬১ রান করেছিল পাকিস্তান, যা এতদিন বাংলাদেশের বিপক্ষে পাকিস্তানের সর্বনিম্ন সংগ্রহ ছিল। তবে এবার পাকিস্তানকে ১১৪ রানে আটকালো বাংলাদেশ।
ওয়ানডে ক্রিকেটে অবশ্য পাকিস্তানের সর্বনিম্ন সংগ্রহ ৪৩ রান। ১৯৯৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ক্যাপটাউনে ১৯.৫ ওভারে গুটিয়ে গিয়েছিল ওয়াসিম আকরামের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান।
বাংলাদেশের বিপক্ষে ১১৪ রানে নতুন রেকর্ড গড়া পাকিস্তান দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও একই রান করেছিল। ১৯৯৮ সালে রশিদ লতিফের দল এই রান করেছিল।
বুধবার (১১ মার্চ) মিরপুরে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ।
ব্যাট করতে নেমে পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে তাসকিন আহমেদের স্থানে নাহিদের হাতে বল দেন অধিনায়ক মিরাজ। আক্রমণে এসেই দলকে ব্রেকথ্রু এনে দেন এই তরুণ পেসার। ওভারের শেষ বলে তাকে কাট করতে গিয়ে পয়েন্টে আফিফ হোসেনের হাতে ধরা পড়েন সাহিবজাদা ফারহান। ২৭ রান করে এই ওপেনার ফিরলে ভাঙে ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি।
নিজের পরের চার ওভারের সবকটিতেই উইকেট পেয়েছেন নাহিদ। নবাগত শামিল হোসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগাকে সাজঘরে ফেরান এই ডানহাতি পেসার। পাকিস্তানের টপ অর্ডার ভেঙে ক্যারিয়ারের প্রথমবারের মত ফাইফার পূরণ করেন তিনি।
পরের কাজটুকু সেরেছেন মিরাজ। ২৯ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক। ৮২ রানে নবম উইকেট হারানোর পর একশর আগেই অলআউটের শঙ্কায় পড়ে পাকিস্তান। তবে ফাহিম আশরাফ একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই কওে গেছেন।
আবরার আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে শেষ উইকেটে ৩২ রানের জুটি গড়েন। ফাহিমের ৩৭ রানের ইনিংসে ভর করে কোনোরকমে একশ’ রানের কোট পার করে সফরকারী পাকিস্তান।
